লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদিতে দ্রুত সেনা মোতায়েনের ঘোষণা পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদির

সৌদি আরবে হামলার ঘটনার পর দেশটিতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সামরিক বাহিনী মোতায়েন এবং প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরব। সোমবার (৫ অক্টোবর) তিন দেশের এক জরুরি বৈঠক শেষে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অনুমোদিত আইনি প্রক্রিয়া এবং নিজ নিজ জাতীয় আইন অনুসরণ করে সৌদি আরবে এই সামরিক বাহিনী ও প্রয়োজনীয় সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হবে। মূলত সামরিক প্রস্তুতি ও পারস্পরিক সমন্বয় আরও জোরদার করার পাশাপাশি যেকোনো ধরনের বহিরাগত হুমকি মোকাবিলায় এই জোটের সামগ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করাই এর মূল লক্ষ্য।

বৈঠকে অংশ নেওয়া তিন দেশই জোরালোভাবে পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, তাদের প্রত্যেকের নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্ব একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মক্কা চুক্তির আওতায় একটি কার্যকর যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর তারা গুরুত্বারোপ করেছেন। এই ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হলে তিন দেশের প্রতিরোধ সক্ষমতা এবং নিজেদের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ রাখার সামর্থ্য আরও শক্তিশালী হবে বলে বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

পারস্পরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিক খাতে সহযোগিতা ও সমন্বয় আরও বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এই তিন দেশীয় জোট। একই সঙ্গে সৌদি আরবের নিরাপত্তার ওপর যেকোনো ধরনের আঘাত বা হুমকি এলে তা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে জোটের পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগানোর অঙ্গীকারও করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মেঘনায় ২২ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা, চাল পাবেন ৪২ হাজার জেলে

সৌদিতে দ্রুত সেনা মোতায়েনের ঘোষণা পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদির

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩২:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবে হামলার ঘটনার পর দেশটিতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সামরিক বাহিনী মোতায়েন এবং প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরব। সোমবার (৫ অক্টোবর) তিন দেশের এক জরুরি বৈঠক শেষে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অনুমোদিত আইনি প্রক্রিয়া এবং নিজ নিজ জাতীয় আইন অনুসরণ করে সৌদি আরবে এই সামরিক বাহিনী ও প্রয়োজনীয় সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হবে। মূলত সামরিক প্রস্তুতি ও পারস্পরিক সমন্বয় আরও জোরদার করার পাশাপাশি যেকোনো ধরনের বহিরাগত হুমকি মোকাবিলায় এই জোটের সামগ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করাই এর মূল লক্ষ্য।

বৈঠকে অংশ নেওয়া তিন দেশই জোরালোভাবে পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, তাদের প্রত্যেকের নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্ব একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মক্কা চুক্তির আওতায় একটি কার্যকর যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর তারা গুরুত্বারোপ করেছেন। এই ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হলে তিন দেশের প্রতিরোধ সক্ষমতা এবং নিজেদের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ রাখার সামর্থ্য আরও শক্তিশালী হবে বলে বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

পারস্পরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিক খাতে সহযোগিতা ও সমন্বয় আরও বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এই তিন দেশীয় জোট। একই সঙ্গে সৌদি আরবের নিরাপত্তার ওপর যেকোনো ধরনের আঘাত বা হুমকি এলে তা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে জোটের পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগানোর অঙ্গীকারও করা হয়েছে।