লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মণিরামপুরে ঋণের চাপ সইতে না পেরে যুবকের আত্মহ*ত্যা

মণিরামপুরে ঋণের চাপ সইতে না পেরে যুবকের আত্মহ*ত্যা

​মনিরামপুর (যশোর):

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের সাতনল মহলদারপাড়া গ্রামে ঋণের বোঝা সইতে না পেরে ফিরোজ হোসেন (৩৫) নামের এক যুবকের আত্মহ*ত্যার ম*র্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। আজ রবিবার (৩ মে) সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে ঘরের আড়ার সাথে ডিশ লাইনের তার পেঁচিয়ে তিনি আত্মহ*ত্যা করেন।
​নিহত ফিরোজ হোসেন সাতনল মহলদারপাড়া গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি দুই কন্যা ও এক ছেলে সন্তানের জনক ছিলেন।

​স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পেশায় ফিরোজ একজন প্রাইভেট মাইক্রোবাস চালক ছিলেন। বিদেশে গিয়ে ভাগ্যের চাকা ফেরাতে তিনি নিজের গাড়ি বিক্রি করেন এবং বিভিন্ন এনজিও থেকে চড়া সুদে ঋণ নেন। এরপর কয়েক মাস আগে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান। কিন্তু সেখানে গিয়ে কোনো কাজ না পেয়ে নিঃস্ব অবস্থায় আবারও দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হন। দেশে ফেরার পর থেকেই এনজিও ও অন্যান্য ঋণের কিস্তি পরিশোধের প্রচণ্ড চাপে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।

​আজ রবিবার সন্ধ্যার দিকে পরিবারের লোকজনের অগোচরে নিজের ঘরের ভেতর প্রবেশ করেন ফিরোজ। পরে ঘরের আড়ার সাথে ডিশ লাইনের তার গলায় পেঁচিয়ে আত্মহ*ত্যা করেন।

​অকাল এই মৃত্যুতে ফিরোজের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উপার্জনক্ষম একমাত্র ব্যক্তিকে হারিয়ে স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ পুরো পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাইয়ের ২৭ দিনে আড়াই বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রবাসী আয়

মণিরামপুরে ঋণের চাপ সইতে না পেরে যুবকের আত্মহ*ত্যা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

মণিরামপুরে ঋণের চাপ সইতে না পেরে যুবকের আত্মহ*ত্যা

​মনিরামপুর (যশোর):

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের সাতনল মহলদারপাড়া গ্রামে ঋণের বোঝা সইতে না পেরে ফিরোজ হোসেন (৩৫) নামের এক যুবকের আত্মহ*ত্যার ম*র্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। আজ রবিবার (৩ মে) সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে ঘরের আড়ার সাথে ডিশ লাইনের তার পেঁচিয়ে তিনি আত্মহ*ত্যা করেন।
​নিহত ফিরোজ হোসেন সাতনল মহলদারপাড়া গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি দুই কন্যা ও এক ছেলে সন্তানের জনক ছিলেন।

​স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পেশায় ফিরোজ একজন প্রাইভেট মাইক্রোবাস চালক ছিলেন। বিদেশে গিয়ে ভাগ্যের চাকা ফেরাতে তিনি নিজের গাড়ি বিক্রি করেন এবং বিভিন্ন এনজিও থেকে চড়া সুদে ঋণ নেন। এরপর কয়েক মাস আগে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান। কিন্তু সেখানে গিয়ে কোনো কাজ না পেয়ে নিঃস্ব অবস্থায় আবারও দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হন। দেশে ফেরার পর থেকেই এনজিও ও অন্যান্য ঋণের কিস্তি পরিশোধের প্রচণ্ড চাপে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।

​আজ রবিবার সন্ধ্যার দিকে পরিবারের লোকজনের অগোচরে নিজের ঘরের ভেতর প্রবেশ করেন ফিরোজ। পরে ঘরের আড়ার সাথে ডিশ লাইনের তার গলায় পেঁচিয়ে আত্মহ*ত্যা করেন।

​অকাল এই মৃত্যুতে ফিরোজের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উপার্জনক্ষম একমাত্র ব্যক্তিকে হারিয়ে স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ পুরো পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়েছে।