লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেমিকন্ডাক্টর ও বিইএআর সামিটের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে শুরু হয়েছে ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট ২০২৬’। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশেষ সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং রোবটিকস খাতে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

উদ্বোধনী পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, আইসিটি বিভাগের উপদেষ্টা রেহান আসাদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব এম আনোয়ার হোসেন এবং বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসআইএ) সভাপতি এম এ জব্বার।

সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতনামা অধ্যাপক মুহাম্মদ মুস্তাফা হুসাইন। তিনি বাংলাদেশের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি সেমিকন্ডাক্টর ও ডিপ-টেক (গভীর প্রযুক্তি) কৌশল প্রণয়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। অধ্যাপক হুসাইন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রযুক্তি খাত থেকে বার্ষিক ১৫০ বিলিয়ন ডলার আয় করার লক্ষ্য অর্জন করা অসম্ভব কিছু নয়। দেশের তরুণদের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী শক্তি এবং গভীর কারিগরি দক্ষতাই এই লক্ষ্য পূরণের প্রধান চালিকাশক্তি হতে পারে。

অধ্যাপক মুস্তাফা হুসাইন আরও জানান, এবারের আয়োজনে দেশের ৩৬টি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৯৩ জন ‘বিইএআর প্যাটরন’ এবং ‘ওয়ান বাংলাদেশ’-এর ৩৬ জন নতুন সদস্য যুক্ত হয়েছেন। তাদের ‘আগামীর বাংলাদেশের মুখ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, সঠিক পথনির্দেশনা ও উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার মাধ্যমে এই তরুণেরাই দেশের প্রযুক্তি খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে। সিলিকন ভ্যালির উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, অল্পসংখ্যক দক্ষ মানুষের উদ্ভাবনী চিন্তার হাত ধরেই বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তিগত বিপ্লবের জন্ম হয়েছে এবং বাংলাদেশের তরুণদের মাঝেও সেই একই সম্ভাবনা বিরাজমান।

বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং ‘সিলিকন রিভার বাংলাদেশ’-এর যৌথ উদ্যোগে এই সম্মেলনটি আয়োজিত হচ্ছে। এতে দেশ-বিদেশের নীতিনির্ধারক, গবেষক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি এবং প্রবাসী বাংলাদেশি প্রযুক্তিবিদরা অংশ নিয়েছেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো সম্মেলনের কার্যক্রম ‘বিইএআর ২০২৬ বাংলাদেশ’ এবং ‘বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন’-এর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও যুগ্ম সচিব ডা. সাবিনা ইয়াসমিনকে বাধ্যতামূলক অবসরে 

সেমিকন্ডাক্টর ও বিইএআর সামিটের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৪৬:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে শুরু হয়েছে ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট ২০২৬’। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশেষ সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং রোবটিকস খাতে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

উদ্বোধনী পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, আইসিটি বিভাগের উপদেষ্টা রেহান আসাদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব এম আনোয়ার হোসেন এবং বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসআইএ) সভাপতি এম এ জব্বার।

সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতনামা অধ্যাপক মুহাম্মদ মুস্তাফা হুসাইন। তিনি বাংলাদেশের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি সেমিকন্ডাক্টর ও ডিপ-টেক (গভীর প্রযুক্তি) কৌশল প্রণয়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। অধ্যাপক হুসাইন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রযুক্তি খাত থেকে বার্ষিক ১৫০ বিলিয়ন ডলার আয় করার লক্ষ্য অর্জন করা অসম্ভব কিছু নয়। দেশের তরুণদের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী শক্তি এবং গভীর কারিগরি দক্ষতাই এই লক্ষ্য পূরণের প্রধান চালিকাশক্তি হতে পারে。

অধ্যাপক মুস্তাফা হুসাইন আরও জানান, এবারের আয়োজনে দেশের ৩৬টি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৯৩ জন ‘বিইএআর প্যাটরন’ এবং ‘ওয়ান বাংলাদেশ’-এর ৩৬ জন নতুন সদস্য যুক্ত হয়েছেন। তাদের ‘আগামীর বাংলাদেশের মুখ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, সঠিক পথনির্দেশনা ও উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার মাধ্যমে এই তরুণেরাই দেশের প্রযুক্তি খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে। সিলিকন ভ্যালির উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, অল্পসংখ্যক দক্ষ মানুষের উদ্ভাবনী চিন্তার হাত ধরেই বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তিগত বিপ্লবের জন্ম হয়েছে এবং বাংলাদেশের তরুণদের মাঝেও সেই একই সম্ভাবনা বিরাজমান।

বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং ‘সিলিকন রিভার বাংলাদেশ’-এর যৌথ উদ্যোগে এই সম্মেলনটি আয়োজিত হচ্ছে। এতে দেশ-বিদেশের নীতিনির্ধারক, গবেষক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি এবং প্রবাসী বাংলাদেশি প্রযুক্তিবিদরা অংশ নিয়েছেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো সম্মেলনের কার্যক্রম ‘বিইএআর ২০২৬ বাংলাদেশ’ এবং ‘বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন’-এর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে।