লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপালে সুড়ঙ্গ থেকে ১০ দিন পর চীনা নাগরিক জীবিত উদ্ধার

হিমবাহধসের ফলে সৃষ্ট ভয়াবহ দুর্যোগের দশম দিনে নেপালের ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গ থেকে এক চীনা নাগরিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নেপাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজা রাম বাসনেত এএফপিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সম্প্রতি ওই সুড়ঙ্গ থেকে ভুক্তভোগীকে নিরাপদে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার সকালে ত্রিশূলী-৩-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে সঞ্জয় শাহ ও কবির মহারাজন নামের দুই নেপালি নাগরিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল। উদ্ধারের পর বিদ্যুৎ বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সুরেশ রাউত জানিয়েছিলেন, উদ্ধারকৃতদের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। নেপালের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কবির মহারাজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কাঠমান্ডুর আর্মি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে এবং সঞ্জয় শাহরও একই হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে।

নেপালের জ্বালানিমন্ত্রী বিরাজ ভক্ত শ্রেষ্ঠ এক বিবৃতিতে উদ্ধার অভিযান নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছিলেন, যতক্ষণ শ্বাস আছে, ততক্ষণ আশা আছে। ক্ষতিগ্রস্ত সব সুড়ঙ্গেই উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ২৬ আগস্ট চীন-নেপাল সীমান্তের পাহাড়ে বিশাল হিমবাহ ও পাথরের ধসের কারণে কাদা ও ধ্বংসাবশেষের স্রোত বয়ে যায়, যার ফলে শত শত জলবিদ্যুৎকর্মী নিখোঁজ হন।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ সংস্থার তথ্যমতে, এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৫ হাজার ৮৩ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিব্বত অঞ্চলে এই দুর্যোগে ৩১ জন নিহত ও ৫৩১ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সব মিলিয়ে দুই দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩৭৫ জন এবং নিখোঁজের সংখ্যা সাড়ে ৫ হাজারের বেশি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান শাহর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মৃতিচারণ করলেন সহশিল্পী মৌসুমী

নেপালে সুড়ঙ্গ থেকে ১০ দিন পর চীনা নাগরিক জীবিত উদ্ধার

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:০২:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হিমবাহধসের ফলে সৃষ্ট ভয়াবহ দুর্যোগের দশম দিনে নেপালের ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গ থেকে এক চীনা নাগরিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নেপাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজা রাম বাসনেত এএফপিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সম্প্রতি ওই সুড়ঙ্গ থেকে ভুক্তভোগীকে নিরাপদে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার সকালে ত্রিশূলী-৩-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে সঞ্জয় শাহ ও কবির মহারাজন নামের দুই নেপালি নাগরিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল। উদ্ধারের পর বিদ্যুৎ বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সুরেশ রাউত জানিয়েছিলেন, উদ্ধারকৃতদের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। নেপালের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কবির মহারাজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কাঠমান্ডুর আর্মি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে এবং সঞ্জয় শাহরও একই হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে।

নেপালের জ্বালানিমন্ত্রী বিরাজ ভক্ত শ্রেষ্ঠ এক বিবৃতিতে উদ্ধার অভিযান নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছিলেন, যতক্ষণ শ্বাস আছে, ততক্ষণ আশা আছে। ক্ষতিগ্রস্ত সব সুড়ঙ্গেই উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ২৬ আগস্ট চীন-নেপাল সীমান্তের পাহাড়ে বিশাল হিমবাহ ও পাথরের ধসের কারণে কাদা ও ধ্বংসাবশেষের স্রোত বয়ে যায়, যার ফলে শত শত জলবিদ্যুৎকর্মী নিখোঁজ হন।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ সংস্থার তথ্যমতে, এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৫ হাজার ৮৩ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিব্বত অঞ্চলে এই দুর্যোগে ৩১ জন নিহত ও ৫৩১ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সব মিলিয়ে দুই দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩৭৫ জন এবং নিখোঁজের সংখ্যা সাড়ে ৫ হাজারের বেশি।