লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইকুয়েডরের মাদকচক্রের আরও এক নৌযান ডুবিয়ে দিল মার্কিন বাহিনী

প্রশান্ত মহাসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় মার্কিন সামরিক বাহিনী ইকুয়েডরের কুখ্যাত মাদকচক্র ‘লস চোনেরোস’-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি নৌযান ডুবিয়ে দিয়েছে। মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড (সাউথকম) জানিয়েছে, এক সপ্তাহের মধ্যে এটি তাদের পরিচালিত তৃতীয় এ ধরনের অভিযান। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, অবৈধ মাদক পাচারে ব্যবহৃত এই ভাসমান জ্বালানি সরবরাহকারী নৌযানটি ওই সহিংস মাদকচক্রের কর্মকাণ্ডে সহায়তা করছিল।

অভিযানের সময় নৌযানটিতে থাকা ব্যক্তিদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং পরে তাদের ইকুয়েডরের কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে ঠিক কতজন ব্যক্তিকে হস্তান্তর করা হয়েছে, সেই সংখ্যাটি মার্কিন বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়নি। মার্কিন বাহিনীর প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি হেলিকপ্টার ও সামরিক সদস্যদের বহনকারী নৌযান সন্দেহভাজন যানটিকে ঘিরে ফেলে এবং পরবর্তীতে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সেটিকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়।

ইকুয়েডরের নৌবাহিনী জানিয়েছে, তারা এই মার্কিন অভিযানে সহায়তা করেছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘কনকুইস্তা-২’ ও ‘ওএম-২’ নামে চিহ্নিত দুটি নৌযান থেকে মোট ২৮ জন ক্রু সদস্যকে তারা গ্রহণ করেছে। গত শুক্রবারের পর থেকে এটি তৃতীয় নৌযান যা মার্কিন বাহিনী ধ্বংস করল। ধারণা করা হয়, লস চোনেরোস চক্রটির সঙ্গে মেক্সিকোর সিনালোয়া কার্টেলের যোগাযোগ রয়েছে।

মার্কিন সাউদার্ন কমান্ডের মতে, এটি গত বছর থেকে মাদক পাচার রোধে পরিচালিত বৃহত্তর অভিযানের অংশ। এসব অভিযানে এখন পর্যন্ত ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন লক্ষ্যবস্তু করা নৌযানগুলো মাদক পাচারের সঙ্গে সরাসরি জড়িত—এমন চূড়ান্ত কোনো প্রমাণ এখনো জনসম্মুখে প্রকাশ করেনি। এদিকে, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ গত জুলাই মাসে অভিযোগ করেছিল যে, জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মার্কিন বাহিনীর হামলায় অন্তত আটজন নিখোঁজ হয়েছেন, তবে ওয়াশিংটন এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। গত মার্চ মাসে ইকুয়েডর মাদক পাচার মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’ জোটে যোগ দেয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান শাহর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মৃতিচারণ করলেন সহশিল্পী মৌসুমী

ইকুয়েডরের মাদকচক্রের আরও এক নৌযান ডুবিয়ে দিল মার্কিন বাহিনী

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৪৩:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রশান্ত মহাসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় মার্কিন সামরিক বাহিনী ইকুয়েডরের কুখ্যাত মাদকচক্র ‘লস চোনেরোস’-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি নৌযান ডুবিয়ে দিয়েছে। মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড (সাউথকম) জানিয়েছে, এক সপ্তাহের মধ্যে এটি তাদের পরিচালিত তৃতীয় এ ধরনের অভিযান। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, অবৈধ মাদক পাচারে ব্যবহৃত এই ভাসমান জ্বালানি সরবরাহকারী নৌযানটি ওই সহিংস মাদকচক্রের কর্মকাণ্ডে সহায়তা করছিল।

অভিযানের সময় নৌযানটিতে থাকা ব্যক্তিদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং পরে তাদের ইকুয়েডরের কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে ঠিক কতজন ব্যক্তিকে হস্তান্তর করা হয়েছে, সেই সংখ্যাটি মার্কিন বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়নি। মার্কিন বাহিনীর প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি হেলিকপ্টার ও সামরিক সদস্যদের বহনকারী নৌযান সন্দেহভাজন যানটিকে ঘিরে ফেলে এবং পরবর্তীতে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সেটিকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়।

ইকুয়েডরের নৌবাহিনী জানিয়েছে, তারা এই মার্কিন অভিযানে সহায়তা করেছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘কনকুইস্তা-২’ ও ‘ওএম-২’ নামে চিহ্নিত দুটি নৌযান থেকে মোট ২৮ জন ক্রু সদস্যকে তারা গ্রহণ করেছে। গত শুক্রবারের পর থেকে এটি তৃতীয় নৌযান যা মার্কিন বাহিনী ধ্বংস করল। ধারণা করা হয়, লস চোনেরোস চক্রটির সঙ্গে মেক্সিকোর সিনালোয়া কার্টেলের যোগাযোগ রয়েছে।

মার্কিন সাউদার্ন কমান্ডের মতে, এটি গত বছর থেকে মাদক পাচার রোধে পরিচালিত বৃহত্তর অভিযানের অংশ। এসব অভিযানে এখন পর্যন্ত ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন লক্ষ্যবস্তু করা নৌযানগুলো মাদক পাচারের সঙ্গে সরাসরি জড়িত—এমন চূড়ান্ত কোনো প্রমাণ এখনো জনসম্মুখে প্রকাশ করেনি। এদিকে, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ গত জুলাই মাসে অভিযোগ করেছিল যে, জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মার্কিন বাহিনীর হামলায় অন্তত আটজন নিখোঁজ হয়েছেন, তবে ওয়াশিংটন এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। গত মার্চ মাসে ইকুয়েডর মাদক পাচার মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’ জোটে যোগ দেয়।