লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জে বিএসটিআই ছাড়পত্রহীন দই কারখানায় ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

সিরাজগঞ্জ শহরের সয়াধানগড়া রহমতগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত ‘খান মিষ্টান্ন ভাণ্ডার’-এর কারখানায় অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পরিচালিত এই ঝটিকা তল্লাশিতে নেতৃত্ব দেন সিরাজগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সোহেল শেখ। অভিযানে কারখানার মালিক মো. বকুল খানকে ৮০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআই (BSTI)-এর বৈধ অনুমতিপত্র ছাড়াই দীর্ঘ সময় ধরে দই উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছিল। এছাড়া দইয়ের মোড়কে পণ্যের প্রয়োজনীয় বিবরণ বা লেবেল না থাকা এবং উৎপাদন এলাকার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মতো গুরুতর অনিয়ম সেখানে পাওয়া গেছে। তবে নিরাপদ খাদ্য কার্যালয়ের সহায়তায় কারখানায় ব্যবহৃত দুধের মান পরীক্ষা করে তা সঠিক পাওয়া গেছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

কারখানার স্বত্বাধিকারীকে জরিমানার পাশাপাশি দাপ্তরিক ঠিকানায় থাকা ত্রুটিগুলো দ্রুত সংশোধনের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযানের সময় আনসার ব্যাটালিয়নের একটি চৌকস দল এবং স্থানীয় নিরাপদ খাদ্য কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। কারখানা পরিদর্শনের পাশাপাশি কর্মকর্তারা শহরের স্থানীয় বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহ এবং বিক্রয়মূল্যের সার্বিক অবস্থাও পর্যবেক্ষণ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরান-ওমান আলোচনার খবরে তেলের দাম হ্রাস

সিরাজগঞ্জে বিএসটিআই ছাড়পত্রহীন দই কারখানায় ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:২৮:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

সিরাজগঞ্জ শহরের সয়াধানগড়া রহমতগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত ‘খান মিষ্টান্ন ভাণ্ডার’-এর কারখানায় অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পরিচালিত এই ঝটিকা তল্লাশিতে নেতৃত্ব দেন সিরাজগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সোহেল শেখ। অভিযানে কারখানার মালিক মো. বকুল খানকে ৮০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআই (BSTI)-এর বৈধ অনুমতিপত্র ছাড়াই দীর্ঘ সময় ধরে দই উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছিল। এছাড়া দইয়ের মোড়কে পণ্যের প্রয়োজনীয় বিবরণ বা লেবেল না থাকা এবং উৎপাদন এলাকার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মতো গুরুতর অনিয়ম সেখানে পাওয়া গেছে। তবে নিরাপদ খাদ্য কার্যালয়ের সহায়তায় কারখানায় ব্যবহৃত দুধের মান পরীক্ষা করে তা সঠিক পাওয়া গেছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

কারখানার স্বত্বাধিকারীকে জরিমানার পাশাপাশি দাপ্তরিক ঠিকানায় থাকা ত্রুটিগুলো দ্রুত সংশোধনের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযানের সময় আনসার ব্যাটালিয়নের একটি চৌকস দল এবং স্থানীয় নিরাপদ খাদ্য কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। কারখানা পরিদর্শনের পাশাপাশি কর্মকর্তারা শহরের স্থানীয় বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহ এবং বিক্রয়মূল্যের সার্বিক অবস্থাও পর্যবেক্ষণ করেন।