লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপালের রাসুয়ায় ধ্বংসস্তূপের নিচে তিন দিন, জীবিত উদ্ধার ৬ বছরের শিশু

নেপালের রাসুয়া জেলার তিমুরেতে গ্রামে ভয়াবহ বন্যার ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তিন দিন পর ছয় বছরের এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা কাদামাটি ও ধ্বংসাবশেষের নিচ থেকে ক্ষীণ কান্নার শব্দ শুনতে পান। দ্রুত খননকাজ শুরু করে উদ্ধারকারীরা শিশুটিকে নিরাপদে বের করে আনেন। উদ্ধারের পর শিশুটির নাম মানিশা মাগার বলে জানা গেছে। শিশুটিকে জীবিত উদ্ধারের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং উদ্ধারকারীদের সাহসিকতার প্রশংসা করছেন অনেকে।

প্রাথমিকভাবে তিমুরেতে অবস্থিত সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সীমান্ত চৌকিতে শিশুটির চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে পাঠানোর প্রয়োজন দেখা দেয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় খারাপ আবহাওয়া ও কম দৃশ্যমানতার কারণে হেলিকপ্টারে করে তাকে কাঠমান্ডু নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে শনিবার দুপুরে আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক হলে হেলিকপ্টারে করে তাকে কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। কর্তৃপক্ষ শিশুটির পরিবার ও স্বজনদের সন্ধান করছে।

ভোতে কোশি নদীর পানি উপচে ওই এলাকায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়, যাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বহু মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। নেপালের পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, এই বন্যায় এখন পর্যন্ত ৭৩৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এখনও ২ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি আরও জানান, বন্যার পর পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনে কয়েক বিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে, যার জন্য তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা চেয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৩১

নেপালের রাসুয়ায় ধ্বংসস্তূপের নিচে তিন দিন, জীবিত উদ্ধার ৬ বছরের শিশু

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:৩৫:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

নেপালের রাসুয়া জেলার তিমুরেতে গ্রামে ভয়াবহ বন্যার ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তিন দিন পর ছয় বছরের এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা কাদামাটি ও ধ্বংসাবশেষের নিচ থেকে ক্ষীণ কান্নার শব্দ শুনতে পান। দ্রুত খননকাজ শুরু করে উদ্ধারকারীরা শিশুটিকে নিরাপদে বের করে আনেন। উদ্ধারের পর শিশুটির নাম মানিশা মাগার বলে জানা গেছে। শিশুটিকে জীবিত উদ্ধারের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং উদ্ধারকারীদের সাহসিকতার প্রশংসা করছেন অনেকে।

প্রাথমিকভাবে তিমুরেতে অবস্থিত সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সীমান্ত চৌকিতে শিশুটির চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে পাঠানোর প্রয়োজন দেখা দেয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় খারাপ আবহাওয়া ও কম দৃশ্যমানতার কারণে হেলিকপ্টারে করে তাকে কাঠমান্ডু নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে শনিবার দুপুরে আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক হলে হেলিকপ্টারে করে তাকে কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। কর্তৃপক্ষ শিশুটির পরিবার ও স্বজনদের সন্ধান করছে।

ভোতে কোশি নদীর পানি উপচে ওই এলাকায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়, যাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বহু মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। নেপালের পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, এই বন্যায় এখন পর্যন্ত ৭৩৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এখনও ২ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি আরও জানান, বন্যার পর পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনে কয়েক বিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে, যার জন্য তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা চেয়েছেন।