লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের দুই তেলবাহী ট্যাঙ্কারে মার্কিন বাহিনীর হামলা

ইরানের উপকূলীয় অঞ্চলে রাতভর সামরিক অভিযান চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এই অভিযানে দেশটির প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড ক্রপসের (আইআরজিসি) দুটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। মঙ্গলবার রাতে চালানো এই মার্কিন হামলায় দুই দেশের মধ্যকার বিরাজমান উত্তেজনা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে।

সংবাদমাধ্যম এক্সিওস বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জানিয়েছে, বর্তমান সংঘাত শুরুর পর এই প্রথমবারের মতো ইরানি জাহাজে সরাসরি হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে মার্কিন বাহিনী ইরানের তেলবাহী জাহাজগুলোর চলাচলে কেবল বাধা প্রদান করত।

মার্কিন এক কর্মকর্তা এক্সিওসকে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প 'ট্যাংকারের বদলে ট্যাংকার' নীতির অনুমোদন দিয়েছেন। এই নীতির অংশ হিসেবেই ইরানিদের তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এই কৌশলের অর্থ হলো, ইরান যদি কোনো ট্যাঙ্কারে হামলা চালায়, তবে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তাদের ট্যাঙ্কারকে টার্গেট করবে মার্কিনিরা।

আক্রান্ত ট্যাঙ্কার দুটি ইরানের উপকূলে মার্কিন বাহিনীর নৌ-অবরোধের উত্তর দিকে অবস্থান করছিল। এ সময় ড্রোন ও মিসাইল ব্যবহার করে ট্যাঙ্কারগুলোর ইঞ্জিন রুমে আঘাত করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য ইউনিট সেন্টকম জানিয়েছে, গত কয়েক দিনে ইরান যেসব ট্যাঙ্কার ও মার্কিন সেনাদের ওপর হামলা চালিয়েছে, তার প্রতিশোধ হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে ইরান যেন পুনরায় তাদের রাডার ও মিসাইল সক্ষমতা গড়ে তুলতে না পারে, সেজন্য যুক্তরাষ্ট্র একটি বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এই ট্যাঙ্কার হামলা সেই পরিকল্পনারই অংশ। যুক্তরাষ্ট্রের ওই কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, গত রাতে ইরানের প্রায় ১০০টি হামলা চালানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘুষ ও উচ্ছেদের প্রতিবাদে নরসিংদীতে সওজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

ইরানের দুই তেলবাহী ট্যাঙ্কারে মার্কিন বাহিনীর হামলা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩১:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানের উপকূলীয় অঞ্চলে রাতভর সামরিক অভিযান চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এই অভিযানে দেশটির প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড ক্রপসের (আইআরজিসি) দুটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। মঙ্গলবার রাতে চালানো এই মার্কিন হামলায় দুই দেশের মধ্যকার বিরাজমান উত্তেজনা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে।

সংবাদমাধ্যম এক্সিওস বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জানিয়েছে, বর্তমান সংঘাত শুরুর পর এই প্রথমবারের মতো ইরানি জাহাজে সরাসরি হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে মার্কিন বাহিনী ইরানের তেলবাহী জাহাজগুলোর চলাচলে কেবল বাধা প্রদান করত।

মার্কিন এক কর্মকর্তা এক্সিওসকে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প 'ট্যাংকারের বদলে ট্যাংকার' নীতির অনুমোদন দিয়েছেন। এই নীতির অংশ হিসেবেই ইরানিদের তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এই কৌশলের অর্থ হলো, ইরান যদি কোনো ট্যাঙ্কারে হামলা চালায়, তবে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তাদের ট্যাঙ্কারকে টার্গেট করবে মার্কিনিরা।

আক্রান্ত ট্যাঙ্কার দুটি ইরানের উপকূলে মার্কিন বাহিনীর নৌ-অবরোধের উত্তর দিকে অবস্থান করছিল। এ সময় ড্রোন ও মিসাইল ব্যবহার করে ট্যাঙ্কারগুলোর ইঞ্জিন রুমে আঘাত করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য ইউনিট সেন্টকম জানিয়েছে, গত কয়েক দিনে ইরান যেসব ট্যাঙ্কার ও মার্কিন সেনাদের ওপর হামলা চালিয়েছে, তার প্রতিশোধ হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে ইরান যেন পুনরায় তাদের রাডার ও মিসাইল সক্ষমতা গড়ে তুলতে না পারে, সেজন্য যুক্তরাষ্ট্র একটি বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এই ট্যাঙ্কার হামলা সেই পরিকল্পনারই অংশ। যুক্তরাষ্ট্রের ওই কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, গত রাতে ইরানের প্রায় ১০০টি হামলা চালানো হয়েছে।