লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ১১১৪, জীবিত উদ্ধারের আশা ক্ষীণ

নেপালে ভয়াবহ বন্যার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও ধ্বংসস্তূপ থেকে কাউকে জীবিত উদ্ধারের আশা ক্রমেই ফিকে হয়ে আসছে। নেপাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ১১৪ জনে দাঁড়িয়েছে এবং এখনো প্রায় চার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, বিপুল পরিমাণ কাদা ও পাথরের নিচে এখনো বহু মানুষ চাপা পড়ে আছেন।

নেপালের জাতীয় জরুরি পরিচালন কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ফণীন্দ্র পাউডেল জানিয়েছেন, জীবিত কাউকে পাওয়ার সম্ভাবনা প্রতি মুহূর্তে কমছে। তবে ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষায়িত দলগুলো উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে। বিশেষ করে বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গগুলোতে ফাঁকা জায়গা ও কক্ষ থাকায় সেখানে কেউ বেঁচে থাকতে পারেন—এমন ক্ষীণ আশায় উদ্ধারকারীরা কাজ করছেন। মার্কিন উদ্ধারকারী দল উচ্চপ্রযুক্তির বিশেষ শ্রবণযন্ত্র দিয়ে সুড়ঙ্গের ভেতরে জীবনের কোনো স্পন্দন বা শব্দ শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে। এ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকল্প থেকে ২৭৯ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এখনো ৬৩৯ জনের বেশি কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন।

এদিকে দুর্যোগের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক। তিনি জানান, আশ্রয়শিবিরগুলোতে উপচে পড়া ভিড়, দূষিত পানি ও স্বাস্থ্য অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বর্ষাকালে রোগবালাই ও মহামারির চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের জন্য নেপাল ও চীন উভয় দেশই বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করে বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগ ১৭ বছরে দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে দিয়েছে: আন্দালিব রহমান পার্থ

নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ১১১৪, জীবিত উদ্ধারের আশা ক্ষীণ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেপালে ভয়াবহ বন্যার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও ধ্বংসস্তূপ থেকে কাউকে জীবিত উদ্ধারের আশা ক্রমেই ফিকে হয়ে আসছে। নেপাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ১১৪ জনে দাঁড়িয়েছে এবং এখনো প্রায় চার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, বিপুল পরিমাণ কাদা ও পাথরের নিচে এখনো বহু মানুষ চাপা পড়ে আছেন।

নেপালের জাতীয় জরুরি পরিচালন কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ফণীন্দ্র পাউডেল জানিয়েছেন, জীবিত কাউকে পাওয়ার সম্ভাবনা প্রতি মুহূর্তে কমছে। তবে ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষায়িত দলগুলো উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে। বিশেষ করে বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গগুলোতে ফাঁকা জায়গা ও কক্ষ থাকায় সেখানে কেউ বেঁচে থাকতে পারেন—এমন ক্ষীণ আশায় উদ্ধারকারীরা কাজ করছেন। মার্কিন উদ্ধারকারী দল উচ্চপ্রযুক্তির বিশেষ শ্রবণযন্ত্র দিয়ে সুড়ঙ্গের ভেতরে জীবনের কোনো স্পন্দন বা শব্দ শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে। এ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকল্প থেকে ২৭৯ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এখনো ৬৩৯ জনের বেশি কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন।

এদিকে দুর্যোগের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক। তিনি জানান, আশ্রয়শিবিরগুলোতে উপচে পড়া ভিড়, দূষিত পানি ও স্বাস্থ্য অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বর্ষাকালে রোগবালাই ও মহামারির চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের জন্য নেপাল ও চীন উভয় দেশই বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করে বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।